back to top
Friday, August 7, 2026
Home All Sports অলিম্পিকের স্বপ্নপূরণে বড় পদক্ষেপ, ‘খেলো ইন্ডিয়া’ ও ক্রীড়া ফেডারেশনের জন্য বরাদ্দ ৩৬,৪৪১...

অলিম্পিকের স্বপ্নপূরণে বড় পদক্ষেপ, ‘খেলো ইন্ডিয়া’ ও ক্রীড়া ফেডারেশনের জন্য বরাদ্দ ৩৬,৪৪১ কোটি

0

কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য পুনর্গঠিত ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্প এবং জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনগুলির (এএনএসএফ) আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এই দুই প্রকল্পে মোট ৩৬,৪৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দেশের যুবসমাজের বিকাশ এবং জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে খেলাধুলাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতেই এই উদ্যোগ।

স্বাধীনতার পর দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী সরকারি কর্মসূচি। তরুণ প্রজন্মের খেলাধুলার স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যেতে এই সিদ্ধান্ত আগামী এক দশকে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে আমূল পরিবর্তন আনবে বলেই মনে করছে কেন্দ্র।

নতুন প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত অর্থের পরিমাণ আগের ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের তুলনায় প্রায় আট গুণ বেশি। এর মাধ্যমে খেলাধুলাকে যুব উন্নয়ন, জাতি গঠন এবং ভারতকে বিশ্ব ক্রীড়াশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ভিত্তি করে তোলার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট হয়েছে।

পুনর্গঠিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মাঠ থেকে শুরু করে স্কুলের খেলার মাঠ—সেখান থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে এনে অলিম্পিকের মঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন ও সুসংহত পথ তৈরি করা। ভৌগোলিক অবস্থান, আর্থিক অসুবিধা কিংবা সুযোগের অভাব—কোনও কারণেই যাতে কোনও প্রতিভা হারিয়ে না যায়, সেই বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘খেলো ভারত নীতি’ এবং জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই প্রকল্পে খেলাধুলাকে শিক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা, প্রযুক্তি এবং উচ্চমানের প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস এবং অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক আয়োজনের ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণের ভিত্তিও আরও শক্তিশালী করা হবে।

প্রতিটি প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদের জন্য তৈরি হবে উৎকর্ষের সুসংহত পথ

প্রথমবারের মতো দেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিভা চিহ্নিতকরণ, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে অলিম্পিকের প্রস্তুতি—প্রতিটি স্তরেই তরুণ ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সহায়তা দেওয়া হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা হবে একটি সমন্বিত জাতীয় ক্রীড়া পরিকাঠামো। এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে ন্যাশনাল সেন্টারস অব এক্সেলেন্স (এনসিওই), খেলো ইন্ডিয়া সেন্টারস অব এক্সেলেন্স (কেআইসিওই), স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার ট্রেনিং সেন্টার (এসটিসি), খেলো ইন্ডিয়া অ্যাক্রেডিটেড অ্যাকাডেমি (কেআইএএ), খেলো ইন্ডিয়া সেন্টার (কেআইসি) এবং সশস্ত্র বাহিনীর ইয়ুথ স্পোর্টস কোম্পানি (ওয়াইএসসি)। এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিশ্বমানের কোচিং, আধুনিক ক্রীড়াবিজ্ঞান এবং উন্নত পরিকাঠামোর সুবিধা দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্কুলস্তরের ক্রীড়া ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে চালু করা হচ্ছে দুটি নতুন উদ্যোগ—খেলো ইন্ডিয়া ফিডার স্কুলস (কেআইএফএস) এবং খেলো ইন্ডিয়া উৎকর্ষ বিদ্যালয় (কেআইইউভি)। এর মাধ্যমে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলাকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রীদের চিহ্নিত করে পরিকল্পিত উপায়ে তাদের গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা হবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম বড় সংস্কার হল, বর্তমান ‘খেলো ইন্ডিয়া অ্যাথলিটস’ কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন ‘এমার্জিং খেলো ইন্ডিয়া অ্যাথলিটস (ই-কেআইএ)’ বিভাগ চালু করা। এর ফলে দেশের সংগঠিত ক্রীড়াবিদ উন্নয়ন ব্যবস্থার পরিধি প্রায় দশ গুণ বৃদ্ধি পাবে। ফলে আরও হাজার হাজার প্রতিভাবান তরুণ-তরুণী নিয়মিত কোচিং, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরামর্শদানের সুযোগ পাবেন।

প্রতিভা খুঁজে বের করার জাতীয় ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করা হবে। ট্যালেন্ট আইডেন্টিফিকেশন ডেভেলপমেন্ট কমিটি, জোনাল কমিটি, ট্যালেন্ট স্কাউট, হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর এবং হাই পারফরম্যান্স ম্যানেজারদের সমন্বয়ে এমন একটি কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের নিয়মিত চিহ্নিত করা, তাঁদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এই প্রকল্পে প্রাথমিক স্তরের প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে খেলো ইন্ডিয়া, এবং সেখান থেকে টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম (টপস)-এ পৌঁছনোর একটি সুস্পষ্ট অগ্রগতির পথও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে যোগ্য ক্রীড়াবিদরা বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা এবং সর্বাঙ্গীণ সহায়তা পেয়ে অলিম্পিক-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জয়ের লক্ষ্যে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন।

আরও বেশি প্রতিযোগিতা, আরও বেশি সুযোগ

কেন্দ্রের মতে, নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ ছাড়া ক্রীড়াক্ষেত্রে উৎকর্ষ অর্জন সম্ভব নয়। সেই কারণেই পুনর্গঠিত প্রকল্পে দেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা ব্যবস্থাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করা হচ্ছে।

স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, আঞ্চলিক এবং বিভিন্ন ক্রীড়াভিত্তিক লিগের পাশাপাশি জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতাগুলিকেও আরও বিস্তৃতভাবে সমর্থন করা হবে। এর ফলে তরুণ ক্রীড়াবিদরা সারা বছর ধারাবাহিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবেন।

মহিলা ক্রীড়াবিদ, প্যারা ক্রীড়াবিদ এবং দেশীয় খেলাগুলির বিকাশের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি, অন্তর্ভুক্তি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবেও খেলাধুলাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা (ন্যাশনাল গেমস) আয়োজনের পাশাপাশি ভারতে আন্তর্জাতিক মানের বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

 

আরও সুস্থ ও ফিট ভারত গড়ার লক্ষ্য

ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে সারা দেশে শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থ জীবনযাপনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিয়মিত শরীরচর্চা এবং খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হবে।

মহিলাদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, সীমান্ত ও দুর্গম এলাকায় ক্রীড়া কার্যক্রমের প্রসার এবং মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে খেলাধুলাকে সামাজিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার মতো একাধিক কর্মসূচিও নেওয়া হবে। লক্ষ্য, খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন এবং জাতীয় সংহতিকে আরও শক্তিশালী করা।

কোচ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে বড় বিনিয়োগ

বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে উন্নত সহায়ক পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্র ন্যাশনাল কোচ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (এনসিএবি) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বোর্ডের মাধ্যমে কোচদের যোগ্যতার মান নির্ধারণ, প্রশিক্ষণের গুণগত মান উন্নয়ন এবং কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি জাতীয় মানদণ্ড তৈরি করা হবে।

এ ছাড়া একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্পোর্টস প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মে ক্রীড়াবিদদের তথ্যভান্ডার, ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিযোগিতার সূচি, কোচিং সংক্রান্ত তথ্য, প্রতিভা মূল্যায়ন, অর্থ বরাদ্দ এবং ফিট ইন্ডিয়া কর্মসূচির সমস্ত তথ্য এক জায়গায় সংযুক্ত থাকবে।

এই ডিজিটাল ব্যবস্থা তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ, স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি ক্রীড়াবিদের জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব

দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো ও প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ক্রীড়া অ্যাকাডেমির সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এই সহযোগিতার মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন এবং ক্রীড়াবিদদের সর্বাঙ্গীণ সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সরকারের মতে, সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ক্ষেত্রের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী, আধুনিক এবং সর্বভারতীয় ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রীড়া স্বপ্ন পূরণে আরও বড় সহায়তা

পুনর্গঠিত ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের পাশাপাশি ২০২৬-৩১ সময়কালের জন্য জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনগুলির (এএনএসএফ) আর্থিক সহায়তা প্রকল্পকেও আরও শক্তিশালী করার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

এই প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় ক্রীড়াবিদ এবং জাতীয় দলগুলিকে উন্নত প্রশিক্ষণ, ক্রীড়াবিজ্ঞানভিত্তিক সহায়তা, আধুনিক সরঞ্জাম, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, বিদেশে প্রশিক্ষণ শিবির, বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও কোচ নিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

এ ছাড়াও গ্লোবাল সাউথ-ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে ক্রীড়া সহযোগিতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের ঐতিহ্যবাহী দেশীয় খেলাগুলির প্রসারেও এই প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা নেবে।

 

বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে এক জাতীয় ক্রীড়া অভিযান

পুনর্গঠিত ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্প ভারতের ক্রীড়া ভবিষ্যতের জন্য এখন পর্যন্ত অন্যতম বৃহত্তম সরকারি বিনিয়োগ। সরকারের মতে, এটি শুধু একটি ক্রীড়া প্রকল্প নয়; বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুযোগ, আত্মবিশ্বাস এবং উৎকর্ষের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি জাতীয় অভিযান।

তৃণমূল স্তরে প্রতিভা অন্বেষণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মঞ্চে সাফল্য অর্জন পর্যন্ত একটি সুসংহত ও ধারাবাহিক পথ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন তৈরি করার পাশাপাশি দেশে শারীরিক সক্ষমতা ও খেলাধুলার সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করা, ক্রীড়া পরিকাঠামোর সামগ্রিক উন্নয়ন এবং বিশ্ব ক্রীড়ামঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারের বিশ্বাস, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে ভারত শুধু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে না, বরং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্নপূরণে খেলাধুলা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।