back to top
Tuesday, May 5, 2026
Home Cricket সব জল্পনার অবসান, ৪ বছরের একসঙ্গে পথ চলা শেষ হার্দিক-নাতাশার!

সব জল্পনার অবসান, ৪ বছরের একসঙ্গে পথ চলা শেষ হার্দিক-নাতাশার!

0

সব জল্পনার অবসান! বিয়েটা ভেঙেই যাচ্ছে হার্দিক পান্ডিয়া আর নাতাশা স্ট্যানকোভিচ-এর। বৃহস্পতিবার নাতাশা নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট শেয়ার করেন, যার সারমর্ম ছিল, ‘ ৪ বছর একসঙ্গে সংসার করার পর হার্দিক আর আমি স্বেচ্ছায় এবং দু’জনের সম্মতিতেই আলাদা হচ্ছি। এখন থেকে আমাদের জীবনের রাস্তা ভিন্ন। দু’জনে অনেক চেষ্টা করেছিলাম সম্পর্ক বাঁচাতে, কিন্তু পরে দেখলাম, বিচ্ছেদেই আমরা ভাল থাকব। আমরা অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছি, বহু আনন্দের সময় একে অপরের সঙ্গে ছিলাম…কাজেই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন ছিল। আমাদের জীবনে অগস্ত্য আছে। আমাদের দু’জনের জীবনের কেন্দ্রেই ও থাকবে। আমরা কো-পেরেন্টিং করব। চেষ্টা করব ওর খুশির জন্য সব করতে। এই কঠিন আর সংবেদনশীল সময়ে আমরা সবার কাছে অনুরোধ করছি, আমাদের পাশে থাকতে, আমাদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে।” এক-ই বয়ানের পোস্ট শেয়ার করেন হার্দিক পান্ডিয়া-ও।

১৮ জুলাই বিকেলেই খবর আসে, পান্ডিয়ার বাড়ি ছেড়ে সার্বিয়ায় চলে গিয়েছেন তাঁর স্ত্রী নাতাশা স্ট্যানকোভিচ। কারণ, এদিন বিকেলে ইনস্টাগ্রামে নাতাশা যে পোস্ট করেছিলেন, তাতে দেখা গিয়েছে, তিনি সার্বিয়ায় নিজের বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন। সেখান থেকেই ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। অবশেষে রাতে সব জল্পনা-কল্পনা মিটিয়ে দিলেন নাতাশা নিজেই।

Bombay Times-এর প্রতিবেদনে জানা গিয়েছিল, হার্দিক ও নাতাশার দাম্পত্যে সমস্যা হচ্ছে গত ৬ মাস ধরে। অনেকেই ভেবেছিলেন, আইপিএলে হার্দিকের ব্যর্থতা থেকে মানুষের মুখ ফেরাতে নাতাশা এমনটা করেছিলেন। তবে আদতে ব্যাপারটা তা নয়। নাতাশা স্ট্যানকোভিচ ও হার্দিককে একসঙ্গে দেখা যায় না বহুদিন। নাতাশা তাঁর সোস্যাল মিডিয়া পেজে পান্ডিয়া পদবিও সরিয়ে দিয়েছিলেন আগেই।

ধুমধাম করে বিয়ে করেছিলেন পান্ডিয়া ও নাতাশা। এমনকী বিয়ের আগেই সন্তানের বাবা-মা হয়েছিলেন তাঁরা। সম্প্রতি অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে হার্দিক পান্ডিয়াকে দেখা গিয়েছিল একাই। তাঁর সঙ্গে নাতাশা ছিলেন না। বিয়েতে বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডের সঙ্গে নাচতেও দেখা যায় হার্দিককে।

নাতাশা এবং হার্দিকের দাম্পত্য জীবন ৪ বছরের। ২০২০ সালের ৩১ মে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন এই তারকা জুটি। এর আড়াই বছর পরে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সামাজিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তাঁরা।